বৃহস্পতিবার থেকে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ‘ইন্দো-বাংলা মণিপুরী সাংস্কৃতিক উৎসব-২০১৮’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইন্দো-বাংলা মণিপুরী সাংস্কৃতিক উৎসব উদযাপন কমিটির আয়োজনে প্রথমবারের মতো কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের মণিপুরী কালচারাল কমপ্লেক্সে ২৯ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলবে এ উৎসব।

ইন্দো-বাংলা মণিপুরী সাংস্কৃতিক উৎসব উদযাপনে বাংলাদেশ ও ভারতের শিল্পী ও সংস্কৃতি কর্মীরা অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইন্দো-বাংলা মণিপুরীর মধ্যে সামাজিক-অর্থনৈতিক-সাংস্কৃতিক সম্পর্ক স্থাপন করা ও ইতিহাস-ঐতিহ্য, শিক্ষা, সাহিত্য, সঙ্গীত, নৃত্য প্রভৃতি গোটা বিশ্বের কাছে উপস্থাপন করা অন্যতম উদ্দেশ্য বলে আয়োজক কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়।

২৯ মার্চ বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ সরকারের অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উৎসবের উদ্বোধন করবেন। বিশেষ অতিথি থাকবেন মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য, মো. আব্দুল মতিন এমপি, বাংলাদেশ রেলওয়ের মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শশী কুমার সিংহ, মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার মো. শাহ জালাল বি.পি.এম, কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহমুদুল হক, মণিপুর (ভারত) জিনিট অ্যাকাডেমির পরিচালক ও পেট্রিওটিক রাইটার ফোরামের পেট্রোন সদস্য ড. এস মানাউতন সিং, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তফাদার রেজুয়ানা ইয়াসমিন সুমি ও আদমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দাল হোসেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ইন্দো-বাংলা মণিপুরী সাংস্কৃতিক উৎসব উদযাপন কমিটি এর আহবায়ক জয়ন্ত কুমার সিংহ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করবেন ইন্দো-বাংলা মণিপুরী সাংস্কৃতিক উৎসব উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব রবি কিরণ সিংহ।

উৎসবের ২য় দিন শুক্রবার (৩০ মার্চ) সকাল ১০টা হতে দিনব্যাপী সেমিনার, কবিতা পাঠ, মণিপুরী ঐতিহ্যবাহী কাং খেলা, করি খেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

৩১ মার্চ উৎসবের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব এনএম জিয়াউল আলম। বিশেষ অতিথি থাকবেন সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ রেলওয়ের মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শশী কুমার সিংহ, বিএসইসি অতিরিক্ত সচিব কংখাম নিলমনি সিংহ, সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোছাম্মত নাজমানারা খানুম, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম, মণিপুর (ভারত) প্যাট্রিয়টিক রাইটার্স ফোরামের সচিব রাকেশ নাওরেম প্রমুখ।

উৎসব উপলক্ষে মণিপুরি ঐতিহ্যবাহী পোশাক, খাদ্য, ঐতিহাসিক যন্ত্র ইত্যাদি নিয়ে বসছে অর্ধশতাধিক স্টল। উৎসবে প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শকের সমাগম হবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।