শ্রীলঙ্কাকে ২ উইকেটে হারিয়ে নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসানের ফেরা নিয়ে অনেক গুঞ্জনই ছিল। শেষ পর্যন্ত তার নেতৃত্বেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অসাধারন জয়ের মাধ্যমে নিদাহাস ট্রফির ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ।

ম্যাচটিকে বলা হচ্ছিল অঘোষিত সেমিফাইনাল। একটি ম্যাচ জিতলেই স্বপ্নের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। তাই ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করেছে ১ বল হাতে রেখে।

যদিও শেষ ওভার জন্ম দিয়েছে উত্তাপের। উদানার ওভারে নো বলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা উঠেছিল চরমে। এক পর্যায়ে সাকিব খেলোয়াড়দের মাঠের বাইরে চলে আসতে বলেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত খেলায় মনোযোগী হয় বাংলাদেশ। কিন্তু তখনও নাটকীয়তা বিরাজ করছিল ম্যাচে। ৩ বলে যখন ৮ রান প্রয়োজন তখনই দুই বলে একটি ডাবল ও অসাধারণ ছয় মেরে জয় নিশ্চিত করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। অসাধারণ জয়ে রিয়াদ অপরাজিত ছিলেন ১৮ বলে ৪৩ রানে। যাতে ছিল ৩টি চার ও ২টি ছয়।

শুরুটা অবশ্য হতাশার ছিল লাল-সবুজদের। শ্রীলঙ্কার ছুঁড়ে দেওয়া ১৬০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতে ২ উইকেট হারিয়ে বসেছিল। এই ৩৩ রানে দুই উইকেট হারানোর পর অবশ্য বাংলাদেশকে আশাহত হতে দেননি মুশফিক-তামিম জুটি। মূল ভিতটা গড়ে দেন দুজনে। যদিও ১৩তম ওভারে ৬৪ রানের হুমকি হয়ে ওঠা এই জুটি ভেঙে দেন আপোনসো। আপোনসোর বলে থিসারাকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মুশফিক। বিদায় নেন ২৮ রানে।

এরপর ফিফটি করেন তামিম ইকবাল। কিন্তু মনোযাগ রাখতে পারেননি। গুনাথিলাকার বলে ৫০ রানে গ্ল্যাভসবন্দি হয়ে ফিরে যান। তার ৪২ বলের ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ২টি ছয়।

এরপর সাকিব আল হাসান, সৌম্য সরকার ও মেহেদী হাসান মিরাজ দ্রুত বিদায় নিলে চিন্তার ভাঁজ পড়ে বাংলাদেশ শিবিরে। কিন্তু শেষ দিকে হাল ছাড়েননি মাহমুদউল্লাহ। জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছেন হাসি মুখে। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি।

সাকিব ২ ওভারে ৯ রান দিয়ে নিয়েছেন ১ উইকেট। ৩৯ রান দিয়ে দুটি নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। একটি করে নিয়েছেন রুবেল হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ।